Showing posts with label NEWS UPDATE. Show all posts
Showing posts with label NEWS UPDATE. Show all posts

Monday, November 7, 2016

টিভি অনুষ্ঠানের মান রক্ষায় ১২ সংগঠন মিলে ফেডারেশন গঠন

জাতীয় প্রেস কাবে ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনের সংবাদ সম্মেলন : নয়া দিগন্ত
জাতীয় প্রেস কাবে ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশনের সংবাদ সম্মেলন 
দেশের টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মান রক্ষার প্রত্যয় নিয়ে টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণের সাথে জড়িত ১২টি সংগঠন মিলে গঠন করা হয়েছে ‘ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন’ (এফটিপিও)। গতকাল জাতীয় প্রেস কাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফেডারেশন গঠনের ঘোষণা দেন এর নেতৃবৃন্দ। 
টেলিভিশন নাট্যশিল্পী ও নাট্যকার সংসদ, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ, অভিনয় শিল্পী সংঘ, শুটিং হাউজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রোডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন, ডিরেক্টরস গিল্ড, টেলিভিশন লাইট ক্রু অ্যাসোসিয়েশন, টেলিভিশন লাইট হাউজ অ্যাসোসিয়েশন, ক্যামেরাম্যান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, টেলিভিশন মেকআপ আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, সহকারী পরিচালক সমিতি, প্রযোজনা ব্যবস্থাপক সমিতি নিয়ে এফটিপিও গঠন করা হয়েছে। 
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয় সৃজনশীল শিল্প টেলিভিশন মাধ্যম আজ বিদেশী সাংস্কৃতিক আগ্রাসনসহ নানাবিধ কারণে হুমকির মুখে রয়েছে। বাংলায় ডাবিংকৃত বিদেশী সিরিয়াল/অনুষ্ঠান বন্ধের দাবি জানানোর সাথে সাথে বিদেশী শিল্পী ও কলাকুশলীদের অবৈধভাবে কাজ করা বন্ধেরও দাবি জানানো হয় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর। এ ছাড়া ডাউনলোড লিংক চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশী চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। 
এফটিপিওর আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ, সংগঠনের সদস্য সচিব গাজী রাকায়েত, ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলিক, নাট্যকার সংঘের সভাপতি মাসুম রেজা, অভিনয় সংঘের সদস্য সচিব আহসান হাবিব নাসিম, প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার পাঠানসহ শামস সুমন, মেজবাহ উদ্দীন সুমন, নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, শহিদুল আলম সাচ্চুসহ অনেকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে নাট্যকার মাসুম রেজা বলেন, ‘নব্বই দশকেও আমাদের দেশের নাটক বিদেশে প্রশংসা কুড়িয়েছে। কলকাতার সবাই আমাদের নাটক দেখেছে। কিছু অনিয়মের জন্য আমাদের নাটকের মান নেমে গেছে, এখন শৃঙ্খলা আনতে হবে। টিভি নাটকের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে। এর জন্য সবাই এক প্লাটফর্মে দাঁড়িয়েছি।’
সংবাদ সম্মেলনে আরো যেসব দাবি জানানো হয় সেগুলো হলো টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণ, ক্রয় ও প্রচারের েেত্র কায়েন্ট/এজেন্সির হস্তপে ব্যতীত চ্যানেলের অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে হবে, অনুষ্ঠান নির্মাণের প্রয়োজনে সরঞ্জামাদি (ক্যামেরা, লাইট অন্যান্য) বিদেশ থেকে আনার েেত্রও একই নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। টেলিভিশন শিল্পের সর্বেেত্র এআইটির ন্যূনতম ও যৌক্তিক হার পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।

হামলা স্বাধীনতাবিরোধীদের কাজ : নাসিম


হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও মন্দির ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট। গতকাল আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জোটের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 
বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম জানান, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক ও সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়–য়ার নেতৃত্বে সোমবার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেবেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কথা বলবেন। তিনি বলেন, নাসিরনগরে হামলা স্বাধীনতাবিরোধীদের কাজ। তারা দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। আমরা জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি, অতীতের মতো আপনারা এমন অপচেষ্টা মোকাবেলা করবেন। 
এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো কঠোর হওয়ার এবং নাসিরনগরের ঘটনায় যারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তাদের দ্রুত প্রত্যাহার করার দাবি জানান। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ছায়েদুল হক একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, তিনি কী কারণে এ ধরনের কথা বলেছেন সেটা আমরা দেখছি। তার মতো একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এ ধরনের কথা বলবেন তা আমরা বিশ্বাস করি না।
জোটের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ নাসিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের (একাংশ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জাসদের (একাংশ) সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা: দীপু মনি ও আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ।

বিএনপি শিগগিরই আন্দোলনে নামবে : খালেদা জিয়া

গুলশান কার্যালয়ে গত রাতে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতাদের সাথে মতবিনিময় করেন বেগম খালেদা জিয়া : নয়া দিগন্ত
গুলশান কার্যালয়ে গত রাতে জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতাদের সাথে মতবিনিময় করেন বেগম খালেদা জিয়া : নয়া দিগন্ত
জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিএনপি শিগগিরই আন্দোলনে নামবে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
গত রাতে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) নেতাদের সাথে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এটি আই এম ফজলে রাব্বী ও মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, নওয়াব আলী আব্বাস খান, এ কে এম শহিদুল ইসলাম, এয়ার আহমেদ সেলিম, মজিবুর রহমান, মাওলানা রুহুল আমিন, হোসনে আরা আহসান, খালেকুজ্জামান চৌধুরী রফিকুল হক হাফিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বৈঠকে ছিলেন।
বৈঠক শেষে এস এম আলম নয়া দিগন্তকে বলেন, সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। জোট প্রধান দল পুনর্গঠন করে আন্দোলনে নামবেন বলে তাদের জানিয়েছেন। জোটের শরিক হিসেবে তাদেরকেও প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। এলাকায় গিয়ে জনমত গঠনের নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৈঠকে উপস্থিত আরেক নেতা বলেন, নতুন বছরের শুরুতে আবারো মাঠে নামবেন বেগম খালেদা জিয়া।

ট্রাম্পের পরাজয়ের জন্য প্রার্থনা!

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী পরিবারের সদস্যদের আয়ে পরিচালিত মেক্সিকোর পরিবারগুলো আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরাজয় কামনা করে প্রার্থনা করছে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে মেক্সিকোর গ্রামীণ অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।
এমনই একজন মেক্সিকোর ছোট্ট পাহাড়ি শহর মোকাকসেকের বাসিন্দা ৬৫ বছর বয়সী আলিসিয়া ভিয়া। ভিয়ার মেয়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় গৃহ পরিচ্ছন্নতাকর্মী। গত ১২ বছর ধরে মেয়ের আয়েই ভিয়ার পরিবার প্রতিপালিত হচ্ছে। শহরের একটি গির্জায় বসে ভিয়া বলেন, ‘আমি একজন ক্যাথেলিক এবং আমি ঈশ্বরের কাছে তার পরাজয় কামনা করেছি।’ ‘ট্রাম্প বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হলে যেসব অভিবাসীর কাগজপত্র নেই তাদের সবাইকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেবেন। অথচ আমাদের প্রয়োজন মেটাতে তাদের সেখানে থাকতে পারা সত্যিই খুব জরুরি।’

গির্জাটির দেওয়ালে খচিত একটি ফলকে অভিবাসীদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের বাড়ি নির্মাণ ও ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য করার জন্য, বিবাহের খরচ দেয়ার জন্য।
নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকেই ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাস করা মানুষদের বিশেষ করে মেক্সিকানদের বের করে দেয়ার কথা বলে আসছেন। সেই সাথে তিনি মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণের কথাও বলেছেন এবং সেই প্রাচীর নির্মাণে মেক্সিকো সরকার খরচ বহন না করলে বিতাড়ন প্রক্রিয়া দ্রুত করা হবে এবং রেমিট্যান্স পাঠানোও সীমিত করা হবে হুঁশিয়ার করেছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এ কৌশল মেক্সিকোর জন্য বিশেষ করে মোকাকসেকের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য নিদারুণ পীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষরা জানান, মধ্য-দক্ষিণের প্রদেশ পুয়েবলার শহর মোকাকসেকের ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী পরিবারের সদস্যদের আয়ের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল, যাদের অনেকে কোনো কাগজপত্র ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে। মোকাকসেকের ব্যবসায়ী এস্তেবান মারকুয়েজ বলেন, ‘যখন থেকে আমাদের লোকজন যুক্তরাষ্ট্র যেতে শুরু করেছে, আমাদের শহরের অনেক উন্নতি হয়েছে।’
মেক্সিকোর ৫০ লাখের বেশি মানুষ অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে। তাদের মধ্যে অর্ধেক অবৈধভাবে সেখানে প্রবেশ করেছে। এ বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা দুই হাজার কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছে।
মেক্সিকোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে শুধু পুয়েবলা প্রদেশেই ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পাঠানো হয়েছে।
মেক্সিকোতে বেকারত্বের হার অনেক বেশি। ফলে মাদক চোরাকারবারিরা সহজেই তরুণদের এ পথে নিয়ে আসতে পারে। মারকুয়েজ বলেন, ‘বাস্তবতা হলো, মেক্সিকোতে তাদের করার কিছুই নেই। যারা এখানে থাকে তাদের বেঁচে থাকতে অর্থের প্রয়োজন এবং যেহেতু এখানে কাজ নেই, তারা সহজেই অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।’ রয়টার্স

হিলারির ই-মেইল তদন্তে অপরাধমূলক কিছু পায়নি এফবিআই

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই জানিয়েছে, তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল চালাচালিতে অপরাধমূলক কিছু পায়নি। রোববার এফবিআই প্রধান জেমস কোমি কংগ্রেসকে এ কথা বলেন। এর ফলে মাত্র দু'দিন বাকি থাকা নির্বাচনে হিলারির জন্য বেশ সুফল বয়ে আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কোমি বলেছেন, হিলারির বিরুদ্ধে মামলা না করার বিষয়ে চলতি বছরের জুলাইয়ে যে সুপারিশ করা হয়েছিল-এফবিআই তা থেকে সরে আসছে না। তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে হিলারি ক্লিনটনের কাছে আসা এবং তার পাঠানো সব ইমেইল আমরা তদন্ত করেছি। গত জুলাইয়ে হিলারি ক্লিনটনের বিষয়ে নেয়া সিদ্ধান্ত আমরা পরিবর্তন করছি না।’
হিলারির প্রচারণা শিবিরের যোগাযোগ পরিচালক জেনিফার পালমিয়েরি এ সিদ্ধান্ত স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘তদন্তে তিনি যা পেয়েছেন, তাতে আমরা খুশি এবং আমরা এ ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে, তিনি তদন্ত করে এটাই পাবেন। আমরা খুশি যে এ বিষয়ের একটি সুরাহা হয়েছে।’
গত ২৮ অক্টোবর জেমস কোমি বহুল প্রচারিত এক চিঠিতে আইনপ্রণেতাদের বলেছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে হিলারি সরকারি সার্ভারের বদলে ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহারের সময় কোনো ‘গোপনীয়’ তথ্য চালাচালি করেছিলেন কি না, তা নিয়ে এফবিআই নতুন করে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে। তিনি বলেছিলেন, ‘এফবিআইয়ের তদন্ত দল এ ব্যাপারে ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।’ হঠাৎ ফাটানো এফবিআইয়ের ওই বোমায় বেকায়দায় পড়েন হিলারি ক্লিনটন।
তবে আত্মবিশ্বাসী হিলারি জানিয়েছিলেন, যতই তদন্ত করা হোক, খারাপ কিছুই পাওয়া যাবে না। বরং ভোটের মাত্র ১০ দিন আগে এমন একটি সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, তার ব্যাখ্যা চান এফবিআইয়ের কাছে।
একের পর এক যৌন হয়রানির অভিযোগের মুখে ডুবতে থাকা রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প এফবিআইয়ের সরবরাহ করা ওই নতুন রসদ লুফে নেন।

কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা দুই সাংবাদিককে!

স্টাফ রিপোর্টার: বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির রিপোর্টার শাকিল হাসান ও ক্যামেরাপারসন শাহীন আলমের ওপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় রিপোর্টার শাকিল হাসানের গায়ে কেরোসিন ঢেলে তাকে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর চকবাজারে অবৈধভাবে পলিথিন তৈরির একটি কারখানায় গেলে এই ঘটনা ঘটে। 
জানা গেছে, অবৈধ পলিথিন বিষয়ে প্রতিবেদন করতে সকালে চকবাজারে যান শাকিল হাসান ও ক্যামেরাপারসন শহীন আলম। চকবাজার থানাধীন বেদিঘাট এলাকায় পলিব্যাগ তৈরির একটি ফ্যাক্টরির চিত্রধারণ করছিলেন তারা। এসময় কারখানার ভেতর থেকে জব্বার ও রহিম নামের দুইজন বের হয়ে এসে বলে, ছবি নেওয়া যাবে না। এরপর শাকিল ও শাহীন মূল রাস্তায় চলে আসেন।
শাকিল জানান, রাস্তায় ওঠার পর আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জব্বার ও রহিম দৌড়ে এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। মাটিতে ফেলে শাকিলকে পেটায়। ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ভাঙচুর করে। তিনি বলেন, আমরা রাস্তায় ওঠার পর আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জব্বার ও রহিম দৌঁড়ে এসে আমাদের ওপর হামলা করে। আমাকে মাটিতে ফেলে পেটায় এবং ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ভাঙচুর করে।
পরে আমরা কোনোমতে উঠে দৌঁড়ে একটি মুদি দোকানে আশ্রয় নিলে সন্ত্রাসীরা সেখানেও গিয়ে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে কেরোসিনের পুরো একটি টিন খুলে আমার গায়ে ঢেলে দিয়ে জব্বার আগুন দেওয়ার জন্য ম্যাচ খোঁজে। পরে রাস্তার লোকজন এসে উদ্ধার করে। পরে সন্ত্রাসীরা চলে যায়। তিনি আরো জানান, জব্বার ও রহিমের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০জনকে মামলায় আসামী করা হয়েছে। 
পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ ইব্রাহীম খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।